এ ঘটনা রংপুরে টক অবদ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।
জানা গেছে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশের সংগঠন স্বাধীনতা পরিষদ করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের আয়োজন করে।
গতকাল সকালে ক্যাম্পাসে উপাচার্যের একান্ত সচিব আমিনুর রহমান উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সামসুল হক এবং স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি এরশাদুজ্জামানের নেতৃত্বে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
এদিকে জেলা প্রশাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে ত্রাণ বিতরণের নামে স্বাধীনতা পরিষদের এক নেতা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সরকারি বরাদ্দ থেকে আড়াই টন চাল নিয়েছেন।
ত্রান বিতরণের সময় আবার শিক্ষক কর্মকর্তাদের আর্থিক সহায়তায় ত্রাণ দেয়া হচ্ছে বলেও প্রচরণা চালানো হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে এই ত্রাণ কার অর্থায়নে হয়েছে সরকারের নাকি শিক্ষক, কর্মকর্তাদের? বিষয়টি সবার মাঝে ধুম্রজালের সৃষ্টি করেছে।
এ ব্যাপারে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশের সংগঠন স্বাধীনতা পরিষদের নেতা উপাচার্যের পিএ আমিনুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্বীকার করেন আমরা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে আড়াইটন চাল বরাদ্দ নিয়েছি। এ চাল ছাড়াও আধা কেজি ডাল ও আধা লিটার তেল আমরা ৩২০ জন দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করেছি ও যাদের দেয়া হয়েছে তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দোকানদারসহ দুস্থ লোকদের।
তিনি আরও জানান এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে তবে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত কোন প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়নি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৬ এপ্রিল ২০২০/ইকবাল